1. admin@sattyakantha.com : admin :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সিসা দূষণ প্রতিরোধে জাতীয় কর্মপরিকল্পনার কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে — পরিবেশমন্ত্রী প্লাস্টিক দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই—পরিবেশমন্ত্রী বাড্ডায় কফি ও সসের নকল প্যাকেজিং করে বাজারজাতের দায়ে তিন প্রতিষ্ঠানকে ৬ লাখ টাকা জরিমান জলবায়ু নীতি ও পরিকল্পনাকে কার্যকর প্রকল্প, অর্থায়ন ও পরিমাপযোগ্য ফলাফলে রূপ দিতে হবে: পরিবেশ মন্ত্রী দেশজুড়ে বাজারে অভিযান, ১১৬ প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ১১ লাখ টাকা জরিমানা পাবনায় পামওয়েল-ডিটারজেন্ট মিশিয়ে তৈরি হচ্ছিল ভেজাল দুধ, জরিমানা ১ লাখ টাকা ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য ১০ বিলিয়ন ডলারে নিতে চায় বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে ওষুধ ও তৈরি পোশাকের বাজার সম্প্রসারণে জোর বাণিজ্যমন্ত্রীর প্রেস বিজ্ঞপ্তি মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ঢাকা, ৪ অক্টোবর ২০২৬: লালমনিরহাটের দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের লক্ষ্যে আজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো: রাজিব আহসান এমপি। পরিদর্শন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি। দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা ঐতিহ্যবাহী মোগলহাট স্থলবন্দরটি পুনরায় সচল করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। পরিদর্শনকালে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এমপি বলেন, “মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে। একই সঙ্গে লালমনিরহাটসহ এ অঞ্চলের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।” তিনি জানান, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে মোগলহাট স্থলবন্দরের ভৌত অবকাঠামো ও সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনের ভিত্তিতে একটি প্রতিবেদনও প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বন্দরটি চালুর জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে। নদীর ওপারে একটি ব্রিজ, রাস্তা, ছোট একটি স্টেশন ও প্রয়োজনীয় জনবল দরকার। এগুলো তৈরিতে সরকার প্রস্তুত। তবে ভারতের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি প্রয়োজন। ভারত তাদের অংশে কার্যক্রম শুরু না করলে বাংলাদেশের পক্ষেও বন্দর চালু করা সম্ভব হবে না। উল্লেখ্য, ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় ধরলা নদীর ওপর রেলসেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে মোগলহাট স্থলবন্দরের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকা এ স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও কানেক্টিভিটি বৃদ্ধির পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। সরকার দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও আঞ্চলিক যোগাযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মোগলহাটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বন্ধ ও পরিত্যক্ত স্থলবন্দরগুলো পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। নিত্যপণ্যের বাজারে অভিযান, ৯৫ প্রতিষ্ঠানকে ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা ক্রীড়া কার্ডধারী খেলোয়াড়দের পরিবহন ও বীমা সুবিধা প্রদানে নীতিগত সিদ্ধান্ত: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিদ্যমান জেলা স্টেডিয়ামগুলো আধুনিকায়ন করে পূর্ণাঙ্গ ক্রীড়া অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

গুমের শিকারদের ন্যায়বিচার ও পুনর্বাসনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে : রুহুল কবির রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ২০ বার পঠিত

গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষ্যে গুমের শিকার বিশ্বের সকল ব্যক্তি, তাদের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা ও সংহতি প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

শনিবার এক বাণীতে তিনি বাংলাদেশের বিগত বছরগুলোতে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের সময়ে গুমের শিকার প্রত্যেক ব্যক্তিকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘গুম কেবল একজন মানুষকে তাঁর পরিবার ও সমাজ থেকে অদৃশ্য করে দেওয়া নয়; এটি মানুষের স্বাধীনতা, মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং জীবনের অধিকারের ওপর এক নির্মম আঘাত।’

তিনি বলেন, বছরের পর বছর প্রিয়জনের ফিরে আসার অপেক্ষা, তার ভাগ্য সম্পর্কে অনিশ্চয়তা এবং সত্য জানার অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার যে অসহনীয় যন্ত্রণা-তা কোনো পরিবারকে বহন করতে হওয়া উচিত নয়।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে গুম রাজনৈতিক দমন-পীড়ন ও ভিন্নমত স্তব্ধ করার এক ভয়াবহ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, মানবাধিকারকর্মী ও ভিন্নমতাবলম্বীসহ বহু মানুষ এর শিকার হয়েছেন। অনেক পরিবার আজও জানে না তাঁদের প্রিয়জন কোথায়, কী অবস্থায় আছেন কিংবা আদৌ ফিরে আসবেন কি না। তাঁদের এই দীর্ঘ প্রতীক্ষা জাতীয় বিবেকের সামনে এক গভীর দায় হয়ে আছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, গুমের প্রতিটি ঘটনার সত্য উদঘাটন, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অপরিহার্য শর্ত। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে পারে না।
তিনি বলেন, একই সঙ্গে গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সত্য জানা, ন্যায়বিচার পাওয়া, ক্ষতিপূরণ ও যথাযথ পুনর্বাসনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে রাষ্ট্রের কোনো সংস্থা আর কখনো নাগরিকের বিরুদ্ধে গুমকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে না; যেখানে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনী থাকবে জবাবদিহির আওতায়; এবং যেখানে রাজনৈতিক পরিচয় বা মতভিন্নতার কারণে কোনো নাগরিকের জীবন, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা বিপন্ন হবে না।’

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আজকের এই দিনে আমাদের অঙ্গীকার হোক-আর কোনো গুম নয়, আর কোনো পরিবারকে অনন্ত অপেক্ষায় থাকতে হবে না।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, যারা এখনও নিখোঁজ, তাদের প্রত্যেকের ভাগ্য ও অবস্থান সম্পর্কে সত্য প্রকাশ করতে হবে। যারা ফিরে এসেছেন, তাদের অভিজ্ঞতার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। আর যারা আর কখনো ফিরে আসবেন না, তাঁদের পরিবার যেন সত্য, স্বীকৃতি ও বিচার পায়-রাষ্ট্রকে তা নিশ্চিত করতে হবে।

বাণীতে তিনি গুমের শিকার সকল ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের প্রতি আবারও গভীর শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সংহতি জানান।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপি তাঁদের পাশে থাকবে।’

গুমের শিকারদের ন্যায়বিচার ও পুনর্বাসনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে : রুহুল কবির রিজভী

বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। ফাইল ছবি
ঢাকা, ৩০ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষ্যে গুমের শিকার বিশ্বের সকল ব্যক্তি, তাদের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা ও সংহতি প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

শনিবার এক বাণীতে তিনি বাংলাদেশের বিগত বছরগুলোতে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের সময়ে গুমের শিকার প্রত্যেক ব্যক্তিকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘গুম কেবল একজন মানুষকে তাঁর পরিবার ও সমাজ থেকে অদৃশ্য করে দেওয়া নয়; এটি মানুষের স্বাধীনতা, মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং জীবনের অধিকারের ওপর এক নির্মম আঘাত।’

তিনি বলেন, বছরের পর বছর প্রিয়জনের ফিরে আসার অপেক্ষা, তার ভাগ্য সম্পর্কে অনিশ্চয়তা এবং সত্য জানার অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার যে অসহনীয় যন্ত্রণা-তা কোনো পরিবারকে বহন করতে হওয়া উচিত নয়।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে গুম রাজনৈতিক দমন-পীড়ন ও ভিন্নমত স্তব্ধ করার এক ভয়াবহ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, মানবাধিকারকর্মী ও ভিন্নমতাবলম্বীসহ বহু মানুষ এর শিকার হয়েছেন। অনেক পরিবার আজও জানে না তাঁদের প্রিয়জন কোথায়, কী অবস্থায় আছেন কিংবা আদৌ ফিরে আসবেন কি না। তাঁদের এই দীর্ঘ প্রতীক্ষা জাতীয় বিবেকের সামনে এক গভীর দায় হয়ে আছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, গুমের প্রতিটি ঘটনার সত্য উদঘাটন, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অপরিহার্য শর্ত। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে পারে না।
তিনি বলেন, একই সঙ্গে গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সত্য জানা, ন্যায়বিচার পাওয়া, ক্ষতিপূরণ ও যথাযথ পুনর্বাসনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে রাষ্ট্রের কোনো সংস্থা আর কখনো নাগরিকের বিরুদ্ধে গুমকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে না; যেখানে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনী থাকবে জবাবদিহির আওতায়; এবং যেখানে রাজনৈতিক পরিচয় বা মতভিন্নতার কারণে কোনো নাগরিকের জীবন, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা বিপন্ন হবে না।’

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আজকের এই দিনে আমাদের অঙ্গীকার হোক-আর কোনো গুম নয়, আর কোনো পরিবারকে অনন্ত অপেক্ষায় থাকতে হবে না।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, যারা এখনও নিখোঁজ, তাদের প্রত্যেকের ভাগ্য ও অবস্থান সম্পর্কে সত্য প্রকাশ করতে হবে। যারা ফিরে এসেছেন, তাদের অভিজ্ঞতার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। আর যারা আর কখনো ফিরে আসবেন না, তাঁদের পরিবার যেন সত্য, স্বীকৃতি ও বিচার পায়-রাষ্ট্রকে তা নিশ্চিত করতে হবে।

বাণীতে তিনি গুমের শিকার সকল ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের প্রতি আবারও গভীর শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সংহতি জানান।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপি তাঁদের পাশে থাকবে।’

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

প্রেস বিজ্ঞপ্তি মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ঢাকা, ৪ অক্টোবর ২০২৬: লালমনিরহাটের দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের লক্ষ্যে আজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো: রাজিব আহসান এমপি। পরিদর্শন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি। দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা ঐতিহ্যবাহী মোগলহাট স্থলবন্দরটি পুনরায় সচল করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। পরিদর্শনকালে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এমপি বলেন, “মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে। একই সঙ্গে লালমনিরহাটসহ এ অঞ্চলের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।” তিনি জানান, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে মোগলহাট স্থলবন্দরের ভৌত অবকাঠামো ও সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনের ভিত্তিতে একটি প্রতিবেদনও প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বন্দরটি চালুর জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে। নদীর ওপারে একটি ব্রিজ, রাস্তা, ছোট একটি স্টেশন ও প্রয়োজনীয় জনবল দরকার। এগুলো তৈরিতে সরকার প্রস্তুত। তবে ভারতের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি প্রয়োজন। ভারত তাদের অংশে কার্যক্রম শুরু না করলে বাংলাদেশের পক্ষেও বন্দর চালু করা সম্ভব হবে না। উল্লেখ্য, ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় ধরলা নদীর ওপর রেলসেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে মোগলহাট স্থলবন্দরের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকা এ স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও কানেক্টিভিটি বৃদ্ধির পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। সরকার দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও আঞ্চলিক যোগাযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মোগলহাটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বন্ধ ও পরিত্যক্ত স্থলবন্দরগুলো পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ঢাকা, ৪ অক্টোবর ২০২৬: লালমনিরহাটের দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের লক্ষ্যে আজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো: রাজিব আহসান এমপি। পরিদর্শন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি। দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা ঐতিহ্যবাহী মোগলহাট স্থলবন্দরটি পুনরায় সচল করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। পরিদর্শনকালে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এমপি বলেন, “মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে। একই সঙ্গে লালমনিরহাটসহ এ অঞ্চলের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।” তিনি জানান, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে মোগলহাট স্থলবন্দরের ভৌত অবকাঠামো ও সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনের ভিত্তিতে একটি প্রতিবেদনও প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বন্দরটি চালুর জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে। নদীর ওপারে একটি ব্রিজ, রাস্তা, ছোট একটি স্টেশন ও প্রয়োজনীয় জনবল দরকার। এগুলো তৈরিতে সরকার প্রস্তুত। তবে ভারতের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি প্রয়োজন। ভারত তাদের অংশে কার্যক্রম শুরু না করলে বাংলাদেশের পক্ষেও বন্দর চালু করা সম্ভব হবে না। উল্লেখ্য, ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় ধরলা নদীর ওপর রেলসেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে মোগলহাট স্থলবন্দরের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকা এ স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও কানেক্টিভিটি বৃদ্ধির পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। সরকার দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও আঞ্চলিক যোগাযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মোগলহাটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বন্ধ ও পরিত্যক্ত স্থলবন্দরগুলো পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ঢাকা, ৪ অক্টোবর ২০২৬: লালমনিরহাটের দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের লক্ষ্যে আজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো: রাজিব আহসান এমপি। পরিদর্শন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি। দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা ঐতিহ্যবাহী মোগলহাট স্থলবন্দরটি পুনরায় সচল করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। পরিদর্শনকালে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এমপি বলেন, “মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে। একই সঙ্গে লালমনিরহাটসহ এ অঞ্চলের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।” তিনি জানান, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে মোগলহাট স্থলবন্দরের ভৌত অবকাঠামো ও সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনের ভিত্তিতে একটি প্রতিবেদনও প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বন্দরটি চালুর জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে। নদীর ওপারে একটি ব্রিজ, রাস্তা, ছোট একটি স্টেশন ও প্রয়োজনীয় জনবল দরকার। এগুলো তৈরিতে সরকার প্রস্তুত। তবে ভারতের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি প্রয়োজন। ভারত তাদের অংশে কার্যক্রম শুরু না করলে বাংলাদেশের পক্ষেও বন্দর চালু করা সম্ভব হবে না। উল্লেখ্য, ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় ধরলা নদীর ওপর রেলসেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে মোগলহাট স্থলবন্দরের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকা এ স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও কানেক্টিভিটি বৃদ্ধির পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। সরকার দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও আঞ্চলিক যোগাযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মোগলহাটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বন্ধ ও পরিত্যক্ত স্থলবন্দরগুলো পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।