1. admin@sattyakantha.com : admin :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সিসা দূষণ প্রতিরোধে জাতীয় কর্মপরিকল্পনার কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে — পরিবেশমন্ত্রী প্লাস্টিক দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই—পরিবেশমন্ত্রী বাড্ডায় কফি ও সসের নকল প্যাকেজিং করে বাজারজাতের দায়ে তিন প্রতিষ্ঠানকে ৬ লাখ টাকা জরিমান জলবায়ু নীতি ও পরিকল্পনাকে কার্যকর প্রকল্প, অর্থায়ন ও পরিমাপযোগ্য ফলাফলে রূপ দিতে হবে: পরিবেশ মন্ত্রী দেশজুড়ে বাজারে অভিযান, ১১৬ প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ১১ লাখ টাকা জরিমানা পাবনায় পামওয়েল-ডিটারজেন্ট মিশিয়ে তৈরি হচ্ছিল ভেজাল দুধ, জরিমানা ১ লাখ টাকা ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য ১০ বিলিয়ন ডলারে নিতে চায় বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে ওষুধ ও তৈরি পোশাকের বাজার সম্প্রসারণে জোর বাণিজ্যমন্ত্রীর প্রেস বিজ্ঞপ্তি মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ঢাকা, ৪ অক্টোবর ২০২৬: লালমনিরহাটের দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের লক্ষ্যে আজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো: রাজিব আহসান এমপি। পরিদর্শন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি। দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা ঐতিহ্যবাহী মোগলহাট স্থলবন্দরটি পুনরায় সচল করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। পরিদর্শনকালে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এমপি বলেন, “মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে। একই সঙ্গে লালমনিরহাটসহ এ অঞ্চলের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।” তিনি জানান, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে মোগলহাট স্থলবন্দরের ভৌত অবকাঠামো ও সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনের ভিত্তিতে একটি প্রতিবেদনও প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বন্দরটি চালুর জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে। নদীর ওপারে একটি ব্রিজ, রাস্তা, ছোট একটি স্টেশন ও প্রয়োজনীয় জনবল দরকার। এগুলো তৈরিতে সরকার প্রস্তুত। তবে ভারতের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি প্রয়োজন। ভারত তাদের অংশে কার্যক্রম শুরু না করলে বাংলাদেশের পক্ষেও বন্দর চালু করা সম্ভব হবে না। উল্লেখ্য, ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় ধরলা নদীর ওপর রেলসেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে মোগলহাট স্থলবন্দরের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকা এ স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও কানেক্টিভিটি বৃদ্ধির পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। সরকার দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও আঞ্চলিক যোগাযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মোগলহাটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বন্ধ ও পরিত্যক্ত স্থলবন্দরগুলো পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। নিত্যপণ্যের বাজারে অভিযান, ৯৫ প্রতিষ্ঠানকে ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা ক্রীড়া কার্ডধারী খেলোয়াড়দের পরিবহন ও বীমা সুবিধা প্রদানে নীতিগত সিদ্ধান্ত: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিদ্যমান জেলা স্টেডিয়ামগুলো আধুনিকায়ন করে পূর্ণাঙ্গ ক্রীড়া অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
  ঢাকা, ১৪ অক্টোবর ২০২৬:সিসা দূষণ প্রতিরোধে জাতীয় কর্মপরিকল্পনার কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেন, সিসা দূষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে ...বিস্তারিত পড়ুন
১৩ অক্টোবর ২০২৬: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, প্লাস্টিক দূষণ রোধে সরকার, বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী, গবেষণাপ্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের সমন্বিতভাবে কাজ ...বিস্তারিত পড়ুন
গ্যাস সিলিন্ডারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে ন্যায্যমূল্য ও স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং নকল-ভেজাল প্রতিরোধে দেশব্যাপী অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ঢাকা মহানগরসহ দেশের ২৮ জেলায় পরিচালিত অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের ...বিস্তারিত পড়ুন
  ঢাকা, ৭ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় জলবায়ু নীতি ও পরিকল্পনাকে সমন্বিত কর্মসূচি, মানসম্মত প্রকল্প, উপযুক্ত অর্থায়ন এবং পরিমাপযোগ্য ফলাফলে রূপ দিতে জোর দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল ...বিস্তারিত পড়ুন
  গ্যাস সিলিন্ডার, ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে দেশব্যাপী অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ঢাকা মহানগরসহ দেশের ৪৭ জেলায় চালানো এ অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ১১৬টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১০ লাখ ...বিস্তারিত পড়ুন
  ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বাড়াতে চায় বাংলাদেশ। এ জন্য বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, তৈরি পোশাক, ওষুধ ও কৃষিপণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা ...বিস্তারিত পড়ুন
প্রেস বিজ্ঞপ্তি মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ঢাকা, ৪ অক্টোবর ২০২৬: লালমনিরহাটের দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের লক্ষ্যে আজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো: রাজিব আহসান এমপি। পরিদর্শন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি। দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা ঐতিহ্যবাহী মোগলহাট স্থলবন্দরটি পুনরায় সচল করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। পরিদর্শনকালে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এমপি বলেন, “মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে। একই সঙ্গে লালমনিরহাটসহ এ অঞ্চলের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।” তিনি জানান, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে মোগলহাট স্থলবন্দরের ভৌত অবকাঠামো ও সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনের ভিত্তিতে একটি প্রতিবেদনও প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বন্দরটি চালুর জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে। নদীর ওপারে একটি ব্রিজ, রাস্তা, ছোট একটি স্টেশন ও প্রয়োজনীয় জনবল দরকার। এগুলো তৈরিতে সরকার প্রস্তুত। তবে ভারতের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি প্রয়োজন। ভারত তাদের অংশে কার্যক্রম শুরু না করলে বাংলাদেশের পক্ষেও বন্দর চালু করা সম্ভব হবে না। উল্লেখ্য, ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় ধরলা নদীর ওপর রেলসেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে মোগলহাট স্থলবন্দরের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকা এ স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও কানেক্টিভিটি বৃদ্ধির পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। সরকার দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও আঞ্চলিক যোগাযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মোগলহাটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বন্ধ ও পরিত্যক্ত স্থলবন্দরগুলো পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
লালমনিরহাটের দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের লক্ষ্যে আজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো: রাজিব আহসান এমপি। পরিদর্শন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান ...বিস্তারিত পড়ুন
ঢাকা, ৬ অক্টোবর ২০২৬: নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দেশব্যাপী বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ঢাকা মহানগরসহ ৩৮ জেলায় পরিচালিত এ অভিযানে বিভিন্ন ...বিস্তারিত পড়ুন
জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়া কার্ডধারী খেলোয়াড়দের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং তাঁদের মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাত্রার পথ সুগম করতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’-এই প্রতিপাদ্যকে ...বিস্তারিত পড়ুন
ফ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেছেন, দেশের বিদ্যমান জেলা স্টেডিয়ামগুলোকে আধুনিকায়ন ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ ক্রীড়া অবকাঠামো হিসেবে গড়ে তোলা হবে। নতুন অবকাঠামো নির্মাণের আগে বিদ্যমান ...বিস্তারিত পড়ুন
প্রেস বিজ্ঞপ্তি মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ঢাকা, ৪ অক্টোবর ২০২৬: লালমনিরহাটের দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের লক্ষ্যে আজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো: রাজিব আহসান এমপি। পরিদর্শন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি। দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা ঐতিহ্যবাহী মোগলহাট স্থলবন্দরটি পুনরায় সচল করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। পরিদর্শনকালে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এমপি বলেন, “মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে। একই সঙ্গে লালমনিরহাটসহ এ অঞ্চলের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।” তিনি জানান, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে মোগলহাট স্থলবন্দরের ভৌত অবকাঠামো ও সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনের ভিত্তিতে একটি প্রতিবেদনও প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বন্দরটি চালুর জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে। নদীর ওপারে একটি ব্রিজ, রাস্তা, ছোট একটি স্টেশন ও প্রয়োজনীয় জনবল দরকার। এগুলো তৈরিতে সরকার প্রস্তুত। তবে ভারতের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি প্রয়োজন। ভারত তাদের অংশে কার্যক্রম শুরু না করলে বাংলাদেশের পক্ষেও বন্দর চালু করা সম্ভব হবে না। উল্লেখ্য, ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় ধরলা নদীর ওপর রেলসেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে মোগলহাট স্থলবন্দরের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকা এ স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও কানেক্টিভিটি বৃদ্ধির পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। সরকার দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও আঞ্চলিক যোগাযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মোগলহাটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বন্ধ ও পরিত্যক্ত স্থলবন্দরগুলো পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ঢাকা, ৪ অক্টোবর ২০২৬: লালমনিরহাটের দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের লক্ষ্যে আজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো: রাজিব আহসান এমপি। পরিদর্শন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি। দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা ঐতিহ্যবাহী মোগলহাট স্থলবন্দরটি পুনরায় সচল করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। পরিদর্শনকালে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এমপি বলেন, “মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে। একই সঙ্গে লালমনিরহাটসহ এ অঞ্চলের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।” তিনি জানান, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে মোগলহাট স্থলবন্দরের ভৌত অবকাঠামো ও সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনের ভিত্তিতে একটি প্রতিবেদনও প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বন্দরটি চালুর জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে। নদীর ওপারে একটি ব্রিজ, রাস্তা, ছোট একটি স্টেশন ও প্রয়োজনীয় জনবল দরকার। এগুলো তৈরিতে সরকার প্রস্তুত। তবে ভারতের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি প্রয়োজন। ভারত তাদের অংশে কার্যক্রম শুরু না করলে বাংলাদেশের পক্ষেও বন্দর চালু করা সম্ভব হবে না। উল্লেখ্য, ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় ধরলা নদীর ওপর রেলসেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে মোগলহাট স্থলবন্দরের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকা এ স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও কানেক্টিভিটি বৃদ্ধির পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। সরকার দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও আঞ্চলিক যোগাযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মোগলহাটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বন্ধ ও পরিত্যক্ত স্থলবন্দরগুলো পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।